কোন ব্রান্ডের এসি কিনবেন
আমরা যারা বিশ্বাস করি ওয়ালটন দেশী পন্য তাদের ধারনা শতভাগ ভুল ... প্রায় শতভাগ আমদানী নির্ভর ওয়ালটন কিছু টুকিটাকি খুচরা যন্ত্রাংশ বাদে বাকি সবই বিদেশ থেকে আমদানী করে এদেশে এ্যাসেম্বেল করে থাকে ... বাংলাদেশের সম্পূর্ণ ইলেট্রনিক্সের বাজারে আছে এর নগ্ন হস্তক্ষেপ ... এদের প্ররোচণায় সরকার বিদেশী ব্রান্ডের সব পণ্যের উপর বসিয়েছে চড়া শুল্ক ... অপরদিকে ওয়ালটন বিনা শুল্কে কাজ কাম সারে ... সরকারের এখানে যুক্তি দেশী পণ্য বিকাশের সুবিধা দিতে হবে ... হ্যাঁ কাজ এইখানে একটা হইছে সেটা হইলো ওয়ালটন ফুইলা ফাইপা বড় হইছে কিন্তু আমরা কাষ্টমাররা প্রতিনিয়ত ঠকে যাচ্ছি ... এল.সি.ডি টিভি কিনবেন ??? ফ্রিজ কিনবেন??? এসি কিনবেন??? ... অন্য ব্রান্ডের ৫ টাকার জিনিস ১০ টাকা দিয়ে কিনতে হবে ... কারন ঐ যে চড়া শুল্ক ... আর ওয়ালটন কিনতে যাইবেন দামে কিন্তু প্রায়ই সমানে সমান আর মান পুরাই প্লাষ্টিক ... অন্যরা যেই দামে বিক্রি করে ওয়ালটন কেন সেই দামে বিক্রি করবে??? তাহলে তারা যে সরকারি এতো সুযোগ সুবিধা গ্রহন করে তো আমাদের লাভটা কী??? ... অন্য কোম্পানী গুলারে বিষম প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে দেয়া হইছে ... মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে পণ্যের মানই মূল কথা ... পাবলিকের যা মন চায় তাই কিনবে ... সবার জন্য সমান শুল্ক থাকবে
বৈশাখ মাসের গরমে অনেকেই বিরক্ত হয়ে আছেন কিভাবে গরম কমানো যায় সেই নিয়ে দিনের একটা বড় সময় পার করে ফেলতেছেন। অনেকে AC কেনার কথা ভাবতেছেন। দোকানে গেলে দেখবেন দোকানদার তাদের মত করে বুঝিয়ে দিবে কিন্তু আপনি কিছুই না বুঝে তাদের কথা মত একটা AC কিনে নিয়ে আসবেন। আচ্ছা তা না হয় কিনলেন বরং তার আগে কিছু ব্যাসিক জিনিস জেনে নিন যা আপনাকে AC কিনতে সাহায্য করবে আশা করি। এখানে Split System নিয়ে লেখা হলো। #AC কেনার সময় কি কি দেখবেন?? #এসির কুলিং ক্যাপাসিটি : এসির কুলিং ক্যাপাসিটির মাপা হয় BTU দিয়ে এর মানে হলো British Thermal Unit . প্রতিটি এসির টন অনুযায়ী কুলিং ক্যাপাসিটি আছে. BTU/Hr দিয়ে বুঝায় একটা এসি প্রতি ঘন্টায় 1055 জুল হিট রুম থেকে রিমুভ করতে পারে। 1 BTU =1055 জুল #প্রতি টনের সাথে BTU র সম্পর্ক : প্রতি টন =1200 BTU /hr মানে ১ টন এসি : 1200 BTU/hr ১.৫ টন এসির BTU : 1800 BTU /hr ২ টন এসির BTU : 2400 BTU/hr BTU অনুযায়ী এসি কেন যায়. রুমের মেজারমেন্ট স্কোয়ার ফিটে নিয়ে BTU হিসেব করে AC. কেনা যায় আবার টনেজের হিসেবেও AC কেনা যায়। Q: #কোন সাইজ রুমের জন্য কত টন AC লাগবে?? রুমের সাথে টনেজের হিসেবের জন্য একটা ফর্মুলা আছে। (মেজারমেন্ট হবে ফিটে) ✔(রুমের দৈঘ্য × প্রস্থ) / উচ্চতা = Ton মনে করি একটা রুমের দৈর্ঘ্য : ১৫ ফিট প্রস্থ : ১২ ফিট. উচ্চতা : ১০ ফিট. তাহলে আমরা পাই ✔(15×12) ÷10 = 1.34 ton মানে উপরের মাপে দেয়া রুমের জন্য ১ টনের বেশি একটা এসি লাগবে। সেটা হতে পারে ১.৫ টন. তবে আরো কিছু ফ্যাক্টরের উপর বেশি টনের এসি কিনতে হয় যেমন টপ ফ্লোর হলে, রুমে মানুষ বেশি বাস করলে। Q: #কি টাইপের AC কিনবেন??? Inverter নাকি Non Inverter ?? বর্তমানে স্প্লিট এসি ২ টাইপের Inverter and Non Inverter. => Inverter হলো একটা টেকনোলজি যে টেকনোলজির ফলে এসির কম্প্রেশার এসি চালু হওয়ার পর থেকে আস্তে আস্তে চলতে শুরু করে ....এবং চালু থেকে বন্ধ প্রযন্ত সেট করা তাপমাত্রা মেইনটেইন করতে থাকে। আর => Non Inverter হলো যেখানে কম্প্রেশার কিছুক্ষণ ঘটমট করে চলতে শুরু করে আবার কিছুক্ষণ বন্ধ হয়ে থাকে। ফলে যখন চলে তখন তাপমাত্রা অনেক কমে যায় আবার যখন বন্ধ হয়ে থাকে তখন তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে গরম লাগতে শুরু করে। সেট পয়েন্টে তাপমাত্রা ফিক্সড থাকে না। (নন ইমভার্টারের একটা উদাহরণ হলো আমাদের ফ্রিজ)। #Inverter এর কি কি সুবিধা আছে ?? ১) ইমভার্টার খুব অল্প সময়ে সেট পয়েন্ট তাপমাত্রায় পৌঁছে যায়. যা পৌছাতে নন ইনভার্টারের অনেক সময় লাগে। ২) সব থেকে বড় সুবিধা এটা কম বিদ্যুৎ খরচ করে ..যেহেতু ঘটমট করে চলে না ফলে Inverter, Non inverter এর থেকে ৬০% বিদুৎ কম খরচ করে। ফলে আপনার কারেন্ট বিল খুব কম আসবে। ৩) এটা সেট করা তাপমাত্রা পুরো সময় ধরে বজায় রাখে যেহেতু এর কমপ্রেসর সব সময় অল্প অল্প করে চলে ফলে এই এসি তাপমাত্রা সেট পয়েন্টে রাখে ...রুমকে কখনো শীত কখনো গরম বানিয়ে ফেলে না। ........Inverter এসির দাম একটু বেশি ...কিন্তু আপ্নি কি অল্প দামে Non inverter কিনে ৩ হাজার করে বেশি বিদ্যুৎ বিল গুনবেন নাকি একবারে বেশি দাম দিয়ে Inverter কিনে ৬০% বিদ্যুৎ বাঁচিয়ে ১ হাজার টাকা বিল দিবেন সেটা আপনিই জানেন!!! তবে আর যাই করেন এখন আর কেউ Non Inverter কিনতে যাইয়েন না ...নাইলে পরে পস্তাইবেন। আমাদের দেশে inverter AC পাওয়া যায় LG, Panasonic, Hitachi , Sharp সহ আরো কিছু কোম্পানির। কোনটা কিনবেন সেটা আপনার ইচ্ছে। সম্ভাবত General এর এখনো ইনভার্টার এসি নাই।
Post a Comment